Home

‘গল্পের স্বভাব ও সীমানা : দুপুর মিত্রের গল্প’

প্রধান আলোচক: মনিরুল ইসলাম।

অন্যান্য আলোচক: রবিন পারভেজ, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, জ্যোতি পোদ্দার, নীহার লিখন।

সভাপতি: কবি রণজিৎ নিয়োগী

শুক্রবার ১৩.১২.২০১৩ শেরপুর জেলায় ‘গল্পের স্বভাব ও সীমানা : দুপুর মিত্রের গল্প’ শিরোনামে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচনা করেন মনিরুল ইসলাম। তার আলোচনাটি নিচে তুলে ধরা হল।

এখানে উপস্থিত সকলকেই আমার শুভেচ্ছা জানাই। আর আয়োজকদের প্রতি জানাই আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা। এজন্য যে আপনারা আমাকে প্রধান আলোচক হওয়ার গৌরবটুকু দিয়েছেন। এছাড়াও আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের অন্যান্য কারণের মধ্যে এটিই বেশি উল্লেখযোগ্য যে গল্প ও গল্পের পরিসর সম্পর্কিত আলোচনার মাধ্যমে আপনারা বর্তমান সময়ের একজন তরুণ গল্পকারের সাহিত্য সংগ্রামকে সম্মান প্রদর্শন করেছেন। এবং এর মারফত সেই সংগ্রামে নিজেদেরও শরিক করতে উদ্যোগ হয়েছেন। যার দায় আপনার আমার সকলেইরই ছিল। আজকের আলোচনার বিষয় গল্পের ‘স্বভাব ও সীমানা : দুপুর মিত্রের গল্প’।

এটি বেশ পরিচিত গল্প আপনারা হযত ভিন্ন আদলে তা একাধিকবার শুনেছেন। একবার এক রাজার ঘরে কালো রাজপুত্রের জন্ম হল। এক কান দুই কান করে এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়ল রাজ্যময়। এ্‌ই সংবাদ অথবা তথ্য শেষমেষ আর নিছক তথ্যমাত্র থাকেনি। এটি মানুষের মুখে মুখে মানুষের অংশগ্রহনে মানুষের মিথস্ক্রিয়ায় গল্পের পরিণতি পেতে শুরু করে। এবং মজার সংবাদ রটে যায় যে রাজা রানী কাকসন্তান প্রসব করেছেন। রানী কেন কাক সন্তান প্রসব করেছেন? রানী ছিলেন বড়ই দেমাগী অথবা রাজা ছিলেন বড়ই নিপীড়ক। গল্প তৈরি হতে থাকে। একদা ছিল এক রাজা। তার ছিল তিন রানী। বড় রানী মেজোরানী, ছোটো রানী…’ । বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ তার অভিজ্ঞতার আলোকে গল্পগুলোর কাঠামোতে পুষ্টি সরবরাহ করে। তার নির্মিতিতে সহায়তা করে থাকে।

গল্পটি বলার উদ্দেশ্য এবার ব্যাখ্যা করছি। নিছক তথ্যকে যে গাল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা সম্ভব এটি নির্দেশ করার জন্যেই উপরিউক্ত গল্পটিকে ঢেলে সাজিয়ে নিতে হয়েছে। কোনো তথ্যের অথবা সংবাদের এমন গল্পময় উপস্থাপনার রীতিটা মানুষের স্বভাবজাত। সেই অর্থে এটি গ্রাম্য রীতি (ভদ্রলোকেরা বলেন লোক) নেতিবাচক অর্থে গ্রাম্য নয়। বরং জাতীয় অর্থে গ্রাম্য। যে গ্রামীনতা অথবা জাতীয়তাকে ঔপনিবেশিক পুঁজিবাদী উপস্থাপনার বিপরীতে দাঁড় করানো যায়। পুঁজিতান্ত্রিক যৌক্তিক -শৃঙ্খলিত তথ্য উপস্থাপনার স্বরূপ নির্দেশ করে। এই অর্থে গল্প নির্মাণের সাধনাকে নিছক সংবাদ অথবা পুঁজিতান্ত্রিক নীতি উপস্থাপনার পরিবর্তে যৌথ জীবনের মানস প্রকাশের সাধনা স্বরূপ আমরা গ্রহন করতে পারি। মানুষের মানবীয় গুণের বিরুদ্ধে পুঁজির ইতিহাস নির্মিতি লাভ করে তাহলে সেই ইতিহাসের বিরুদ্ধে এই সাধনা। প্রসঙ্গটি তুলে রাখতে হচ্ছে আরেকটি আলোচনার জন্যে কেননা এর আলোচনা অনেক দূর ছড়াবে।

কথাসাহিত্যের ক্ষেত্রে উপন্যাসকে আমরা যে অর্থে ঔপনিবেশিক উপস্থাপনা কৌশল বলতে পারি, গল্পকে সে অর্থে নির্দিষ্ট অভিযোগ করা যৌক্তিক হবে না। আমাদের সামাজিক জীবনের স্তরে গল্পের কথক ও শ্রোতার পারস্পরিক ক্রিয়াকাণ্ডের অস্তিত্ব ছিল। “ ঠাকুরমার ঝুলি’ ‘ঠাকুরদাদার থলে’ ‘টুনটুনির বই’ প্রভৃতি গল্পের সংকলন আমাদের এই প্রস্তবনাকে সমর্থন দেয়। গল্প আমাদের অভিজ্ঞতার অন্তর্গত ছিল। গল্পের মাধ্যমেই আমাদের প্রত্যাহিক জ্ঞানকান্ডের বিনিময় ঘটত। এখনো ঘটে। যে গল্পের কথা এতোক্ষণ ধরে হচ্ছে তা ইংরেজি শর্ট স্টোরির তর্জমা মাত্র নয। বরং ইংরেজি শর্ট স্টোরিকে তা নানামাত্রায় বিরোধিতাই করতে চায়।

এখন পর্যন্ত দুপুর মিত্রের দুটি গল্পের বই। একটি দশভুজা আরেকটি চৌকাঠ। পাঠক হিসেবে দুপুর মিত্রকে ও তাঁর রচনাকে যদি ভুল বোঝা না হয়, তবে মন্তব্য করা যেতে পারে তিনি আসলে তার চৌকাঠ এ শর্ট স্টোরি লিখতে চাননি। লিখতে চেয়েছেন গল্প নিছক গল্প। অনেক ক্ষেত্রেই তা গল্প তাৎপর্যহীন কোনোকিছর অথবা সংবাদের গাল্পিক উপস্থাপনা (ফ্ল্যাশ ফিকশন ৩৪, পৃ. ৭৪, চৌকাঠ)। এতক্ষণ ধরে যে গল্পের সম্পর্কে আমি বলতে চেষ্ট করেছি সেই গল্প শর্ট স্টোরি নয়। অমর মিত্র নামের একজন লেখক দুপুর মিত্রকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলে ফেলেন ‘ এ যেন হাতে পাওয়া এইটুকু সময়ে একটি গল্প শুনিয়ে দেওয়া। আপনারা ভেবে দেখুন আমার পর্যালোচনার সাথে আমর মিত্র নামের লেখককে কিন্ত মিলিয়ে নেয়া যাচ্ছে।

দুপুর মিত্র আসলে নানান ধরেনর গল্প লিখতে চেয়েছেন। গল্পের সীমানাকে তিনি টেনেটুনে বাড়িয়ে নিতে চেয়েছেন নিরীক্ষার নাম করে। সৃষ্টিশীলতার সাথে এই নিরীক্ষার সম্পর্ক কিন্তু সাংঘর্ষিক নয় বরং সহজাত। দুপুর মিত্রের ক্ষেত্রেও এই প্রবণতা চোখে পড়ার মত। তিনি কিসসা মেটা ফিকশন ফ্ল্যাশ ফিকশন নাম নিয়ে গল্পের প্রচলিত বিমূর্ত সীমানা লঙ্ঘন করতে চেয়েছেন। তবু আমার পর্যবেক্ষণ হল তার উপরিউক্ত নিরীক্ষাসমূহের ভেতর একটি মৌলকাঠামো বিরাজমান ছিল। তা হল সহজেই বানিয়ে একটি গল্প বলে দেয়া। কখনো কখনো দারুণ তাৎপর্য নিয়ে হাজির হয়েছে তার গল্প। কখনও বা নিছক আনন্দ আর মজার খোরাক। গল্পকার তাঁর গল্প সম্পর্কে ছিলেন সচেতন। মনে হয়েছে গল্পের পাঠক সম্পর্কেও লেখকের ভেতর সচেতনতার কমতি ছিল না। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই তিনি পাঠককে সঙ্গে করে হেঁটেছেন।

গল্প বলার খাতিরে গল্পকার তার বয়ানেও চাহিদানুযায়ী বদল ঘটিয়েছেন। এ্‌ই বদল সমূহ আসলে দুপুর মিত্রের তারুণ্যের সৃষ্টিশীল কারিকুরি মাত্র। অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রচলিত রীতিরই ভিন্ন উপস্থাপনা। গল্পকার কখনও কখনও গল্পের প্রবাহের মাঝানে গল্পের স্রোতকে ঠিক খাতেই প্রবাহিত করতে তিনি সমর্থ হয়েছেন। স্বয়ং লেখকের, গল্প বা উপন্যাসের জমিনে প্রবেশের ঘটনা বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত। আপনাদের বঙ্কমি চন্দ্রের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটির কথা মনে করিয়ে দিতে পারি। আর পারি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহিংসা উপন্যাসটিরো নাম নিতে। যাতে স্বয়ং লেখক আখ্যানের প্রবাহকে ঠিক পথে চালিত করার ঠিকাদারি করেছেন বা তিস্তপারের বৃত্তান্তের উদাহরণও নিতে পারি। বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য লেখাতেও এমনটা লক্ষ্য করা যেতে পারে। এখন উদাহরণ দিতে পারব না।

দুপুর মিত্রের গল্পে স্বয়ং দুপুর মিত্রই কোথাও চরিত্র। এগুলো মজার ঘটনা। এতে এক ধরনের চমৎকারিত্বের ব্যাপার আছে। আগে কার রচনায় এমন প্রকাশ রীতির প্রয়োগ দেখা গেছে তা জানি না। থাকুক না। দুপুর মিত্র তার গল্পের দ্বারা অভীষ্ট ডিসকোর্সটি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।

কোথাও তার স্বর গম্ভীর। গল্পের বিষয়ই তাকে এমন গম্ভীর করে তুলেছির। আমি চা-বাগান গল্পটিকে উদ্দেশ্যে করে বলেছি এসব কথা। সুভাষ আর ফুলমতিকে আশ্রয় করে গর্পকার চা-বাগানের এমন এক পরিচিতি নির্মাণ করেন এ্‌ই গল্পে যা চা বাগানের মানুষগুলোর জীবন যাপনের অন্তর্গত পুরাণে আবিষ্ট্ এই পুরান মিথ নয়, বরং গণমানুষের জ্ঞান কান্ড। এই জ্ঞানকান্ডের অন্তর্গত ফুলমতি প্রভাবের বলয়কে ভেদ করে বেরিয়ে আসতে চায়। সৃষ্টি করতে চায় নতুন ইতিহাস। এত সাহস তার। এই সাহস মাতৃত্বের। মানবিকতার। মানুষের অন্তর্গত শক্তির জোরটি। গল্পকার দুপুর মিত্র এটি নির্দেশ করেছেন তার গল্পে।

গণতন্ত্র নামের কিসসায় তিনি দারুণমাত্রায় বিদ্রুপাত্মক। আমাদের দেশের গণতন্ত্রের প্রতি তা কি প্রবল বিদ্রুপ। এই কিসসা এই প্রকাশভঙ্গি দারুণ পাগলামিতে ভরা। বইপত্রের ভাষায় বলতে গেলে অ্যাবসার্ডিস্ট। । হাল্কা হাস্যকর কেমন উদ্ভট গল্পটির চরিত্রগুলোর আচরণ। তিনি এটির নাম দিয়েছেন কিসসা। আমার কাছে অবশ্য তার অন্যান্য গল্পের মতই মনে হয়েছে। আলাদা স্বরটি টের পাইনি। যা টের পেয়েছি তার শুভ পরিণয় কিসসায়। এটির প্রকাশভঙ্গি থেকে শুরে করে অন্তর্গত স্বরের বাঁক ও পরিণতি বাংলা সাহিত্যের কিসসাগুলোর মতই। তবে বিষয় ও স্বভাবে তার শুভ পরিণয় দারুণমাত্রায় আধুনিক। আধুনিক মানে সমসাময়িক। বলতেই হয় বিষয় নির্বাচনে তিনি বেশ শিল্পকুশলতা পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়াও উপস্থাপনার কিসসাময় মেজাজ অক্ষুন্ন রাখার মাধ্যমে গল্পকার এতে সন্নিবেশ করতে পেরেছেন অভীষ্ট ব্যঞ্জনা যা তাৎপর্য সহকারে পাঠকের নিকট হাজির হয়েছে।

ডাহা পৌরাণিক চরিত্র রাধাকে দুপুর মিত্র তার গল্পের খাতিরে অভিনয় করিয়েছেন নান চরিত্রে সেই আগেকার পৌরানিক রেশকে মোটামুটি অক্ষুণ্ণ রেখেই। এখানে তিনি পুরাণকে ভেঙে নতুন পুরাণ নির্মাণের চেষ্টায় তৎপর ছিলেন। নির্মিত পুরানে সন্নিবেশনে সচেষ্ট ছিলেন নতুন যুগের তাৎপর্যের। গল্পকার লক্ষ্মীর পাঁচালী শুনিয়েছেন পাঠকদের। বর্ণনা করেছে সীতার জন্ম, সীতার নামকরণ ও এলাকাবাসীর নানা আলাপ, বর্ণনা করেছে সীতার রূপ ও চরিত্র। এসব গল্পের ক্ষেত্রে দুপুর মিত্র অতিমাত্রায় নিরীক্ষামুখী। তিনি বেমালুম প্রচলিত পুরানকে পাশ কাটিয়ে গেছেন। লিখে ফেলেছেন গলপ রাম-সীতা-রাধা-লক্ষ্মীকে প্রসঙ্গ করে তাঁর গল্পের রাম-সীতা-রাধা-লক্ষ্মী আমাদের যুগের যন্ত্রণায় – আহ্লাদে কাতর। তার এ্‌ই প্রকারের গল্পগুলো প্রকাশরীতির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও নতুন তাৎপর্য নির্দেশের দিক থেকে সমান মাত্রায় গুরুত্ব দাবি করতে অপারগ বলে আমার মনে হয়েছে। রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনী দুপুর মিত্রের চমৎকার একটি গল্প। চমৎকার এই অরএ যে এটির উপস্থাপনা নিঁখুত গল্পময়। গল্পকার সার্থকভাবে দুইখণ্ড সময়কে যৌথসত্তারূপে গড়ে তুলতে পেরেছেন গল্পটিতে। রাজা হরিশ্চন্দ্র ও করিমের ট্র্যাজেডিকে যখন এক সুতায় গেঁথে গল্পকার উপস্থিত করেন তখন আপাত সত্ত্বেও পাঠককে হ্যাঁ হ্যাঁ বলে মেনে নিতে হয়, মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় লেখক রাখেন না। এখানেই তার মাস্তানি। ওরফে শিল্পকুশলতা। রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনী গল্পটি যে দারুণ তাৎপর্যমন্ডিত এমনটি দাবি করতে পারি না। তবে শিল্পমানের জোরে গল্পটি তাৎপর্যের ধার ধারে না। এখন তাহলে একটু পরিস্কার করেই বলে দিতে চাই । তাৎপর্যের কথা বলে যেসব গল্পকে আমি একটু পিছিয়ে দিয়েছি আমার বিবেচনায় শিল্পমানের দিক থেকেও গল্পগুলোতে লেখক তার মেধার প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। এই শিল্পমান জিনিসটাকে নিয়ে বেশি কথা বলার সুযোগ এখানে নেই। তাই প্রসঙ্গটি তুলে রাখতেই হবে অন্য আলোচনার জন্য।

দুপুর মিত্রের এক লাইনের গল্প বলে যা উপস্থাপন করেছেন তার কোথাও না কোথাও গল্পের রেশ ছিল। গল্পকার একটি বাক্যের অথবা একটি ডিসকোর্সের মধ্যেকার গল্পের রসটুকু নির্দেশ করতে চেয়েছেন হয়তো। হয়তো তার মতে জীবনটাই গল্পময়। কেবল তাকে গল্পের আঙ্গিকে প্রকাশ করতে জানতে হবে।

ঔপন্যাসিক দেবেশ রায়ের সাথে আমার একটি পর্যবেক্ষণ মিলে যায়। দেবেশ রায়ো বলেন কেমন করে লেখা হবে সেটা যদি পূর্বনির্ধারিত থাকে তা হলে, তার ভিতর কী লেখা হবে সেটাও আণেকখানি নির্দেশিত থাকে। দুপুর মিত্রও হয়তো এভাবেই চিন্তা করেছেন। তাই তিনি বারবার লঙ্ঘন করতে চেয়েছেন গল্পের প্রচলিত সীমানা। অমান্য করতে চেয়েছেন গল্পের চিরাচরিত স্বভাব। এটা তিনি চেয়েছেন নতুন কিছু বলার তাগিদেই। তাই দুপুর মিত্রকে নতুন ঢঙের অন্বেষণ করতে হয়েছেন। আমি মনে করি গল্পকার হিসেবে যে রচনায় তিনি সফল হয়েছেন, সেখানে তার নিরীক্ষও সফলতা পেয়েছে।

আমার বক্তব্য মনোযোগ সহযোগে শোনার জন্যে আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s